মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সময়সূচি

।বরিশাল জেলা নদ-নদী আকীর্ণ হওয়ায় সর্বত্র যাতায়াতের জন্য অতীতে নৌকা ও লঞ্চই বেশি ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে আগৈলঝাড়ার সঙ্গে বরিশাল সহ বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, গৌরনদী, বানারীপাড়া, ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিদ্যমান ।উল্লেখ্য, আগৈলঝাড়া উপজেলাটি ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ের পাশে অবস্থিত ।ঢাকা-বরিশাল যাতায়াতের জন্য লঞ্চে ভ্রমণই সবচেয়ে আরামদায়ক ও তুলনামূলকভাবে বেশি নিরাপদ। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিরাতে বেশ কয়েকটি লঞ্চ বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পাশাপাশি সড়কপথেও পৌঁছানো যায় বরিশালে। ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সারাদিনই ঘণ্টায় ঘণ্টায় সাকুরা পরিবহনসহ অন্যান্য পরিবহনের বাস ছাড়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে। অধিকাংশ বাসই যায় পাটুরিয়া ঘাট পার হয়ে, তবে কিছু বাস মাওয়া ঘাট হয়েও বরিশালে পৌঁছায়। এক্সপ্রেস বাস সার্ভিসের প্রায় সবকটিই ফেরি-পারাপার। লঞ্চ যোগে বরিশালে নেমে বাস বা মাইক্রোবাস যোগে গৌরনদীতে আসা যায় । সড়কপথে আসতে হলে উল্লেখিত পরিবহনে এসে গৌরনদী বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে ।এছাড়া ঢাকার গুলিস্থান বা যাত্রাবাড়ী থেকে বি আর টি সি সহ অন্যান্য পরিবহনে মাওয়া এসে ফেরী,লঞ্চ বা স্পীড বোট যোগে নদী পার হয়ে কাওড়াকান্দি থেকে বি আর টি সি সহ অন্যান্য পরিবহনে আগৈলঝাড়া আসা যায় ।অসি সম্প্রতি ঢাকা-বরিশাল রুটে সাকুরা পরিবহন ও বি আর টি সি’র এ সি সার্ভিস চালু হয়েছে । ঢাকা থেকে বরিশাল(লঞ্চযোগে) লঞ্চ ছাড়ার স্থান লঞ্চের নাম লঞ্চ ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময় পৌঁছানোর স্থান ভাড়া বিষয়ক তথ্য সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকা। সুরভী, সুন্দরবন, কীর্তনখোলা, কালাম খান, পারাবত ইত্যাদি। রাত আটটা। লঞ্চ ছাড়ার ৮-১০ ঘণ্টার মধ্যে। লঞ্চঘাট, বরিশাল। লঞ্চে সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া ৮৫০ টাকা, ডাবল কেবিনের ভাড়া ১৬০০, ডেকে ২৫০ টাকা। ঢাকা থেকে বরিশাল(বাসযোগে) বাস ছাড়ার স্থান বাসের নাম বাস ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময় পৌঁছানোর স্থান ভাড়া বিষয়ক তথ্য গাবতলী বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা। সাকুরা, ঈগল, হানিফ ইত্যাদি ছাড়াও অন্যান্য পরিবহনের লোকাল বাস সার্ভিস। ভোর ছয়টা থেকে বাস ছাড়ে। এরপর প্রতি এক ঘণ্টা পরপর রাত দশটা পর্যন্ত বাস পাওয়া যায়। বাস ছাড়ার ৬-৮ ঘণ্টার মধ্যে। গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, বরিশাল। এসি বাসে ৬০০ টাকা, নন-এসি বাসে ৪০০ টাকা, লোকাল বাসে ২৫০-৩০০ টাকা। ২নং-পদ্ধতি বাস ছাড়ার স্থান বাসের নাম বাস ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময় পৌঁছানোর স্থান ভাড়া বিষয়ক তথ্য সায়েদাবাদ বা গুলিস্থান বিআরটিসি, ,আনন্দ,গ্রেট বিক্রমপুর,ইলিশ, ইত্যাদি ভোর ছয়টা থেকে বাস ছাড়ে। এরপর প্রতি এক ঘণ্টা পরপর রাত দশটা পর্যন্ত বাস পাওয়া যায়। বাস ছাড়ার ৪৫মি থেকে ০১ ঘণ্টার মধ্যে। মাওয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড, মাওয়া,মুন্সিগঞ্জ ৬০-৭০ টাকা C:UsersUserAppDataLocalTempmsohtmlclip1�1clip_image001 ফেরী,লঞ্চ বা স্পীড বোট যোগে নদী পার হয়ে কাওড়াকান্দি,শিবচর,মাদারীপুর । বাস ছাড়ার স্থান বাসের নাম বাস ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময় পৌঁছানোর স্থান ভাড়া বিষয়ক তথ্য কাওড়াকান্দি বিআরটিসি, বি এম এফ ও মাইক্রোবাস ভোর ছয়টা থেকে বাস ছাড়ে। এরপর প্রতি এক ঘণ্টা পরপর রাত দশটা পর্যন্ত বাস পাওয়া যায়। বাস ছাড়ার ০২ ঘণ্টার মধ্যে। গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, বরিশাল। বাসে ১৫০-২০০ টাকা, মাইক্রোবাসে ২৫০-৩০০ টাকা। বরিশাল অঞ্চলে ট্রেন সার্ভিস না থাকলেও অর‌্যার‌্যদের সুবিধার্থে ট্রেনের সময়সূচি নিম্নে দেয়া হলো : ইন্টার সিটি ট্রেনের সময়সূচি জানতে ক্লিক করুন :http://www.railway.gov.bd/all_ic_mail_shedule.asp মালবাহী ট্রেনের সময়সূচি জানতে ক্লিক করুন : http:// http://www.railway.gov.bd/good_tsrain_schedule.asp জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগ :http://www.railway.gov.bd/list_of_officers.asp

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter